অন্নপূর্ণা ভাতা 25 বছর থেকে না দিয়ে...যদি বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা বা প্রতিবন্ধী ভাতা এগুলো বাড়িয়ে দিতে পারে..তাহলে সেটা বেশি উপকার হবে! যেভাবে ওষুধ আর চিকিৎসার খরচ বাড়ছে তার উপর যেভাবে বয়স্ক, প্রতিবন্ধী মানুষদের বাড়িতে রাখা হয়, সেখানে এই টাকা সহায়ক হতে পারে!
পোস্ট সৌজন্যে: মৈনাক সাহা
“যা নেবে, সবকটা ৫ টাকা… বেশি দাম বললে তো কেউ নেবে না।”
ভাঙা, ক্লান্ত এক গলায় বারবার উচ্চারিত এই কথাটাই কানে এলো।
বিটি রোড সংলগ্ন সোদপুর স্টেশন চত্বরে এক প্রবীণ ভদ্রলোক রাতের পর রাত হেঁটে হেঁটে বাদাম, ছোলা ভাজা, সবুজ মটরসহ ছোটখাটো খাবার বিক্রি করে চলেছেন। তখন রাত প্রায় ১০টা—কিন্তু সময় যেন তাঁর কাছে অনেক আগেই হার মেনেছে জীবনের কঠিন বাস্তবতার কাছে।
তাঁকে দেখে স্পষ্ট বোঝা যায়, শরীর ভালো নেই। ঠিকমতো কথা বলতে পারেন না, পা কাঁপে, দাঁড়িয়ে থাকতেও কষ্ট হয়। তবুও ভিড়ভাট্টা রাস্তা পার হয়ে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে ঘুরে অনুরোধ করেন—কিছু কিনে নিতে।
ভাবুন তো, এই বয়সে এবং এমন শারীরিক অবস্থায় কেউ কি স্বেচ্ছায় রাত পর্যন্ত রাস্তায় দাঁড়িয়ে ব্যবসা করেন? নিশ্চয়ই না। প্রয়োজন আর দায়িত্বই তাঁকে প্রতিদিন এই সংগ্রামের পথে নামতে বাধ্য করেছে।
আমাদের সবার কাছে একটি ছোট্ট অনুরোধ
যাঁরা সোদপুর স্টেশন রোড বা আশপাশের মার্কেটে যাতায়াত করেন, তাঁরা যদি ভদ্রলোককে দেখতে পান, তাহলে সামর্থ্য অনুযায়ী তাঁর কাছ থেকে কিছু কিনে নেবেন। এছাড়া খড়দহ স্টেশন , রহড়া বাজারেও দেখা যায়।
হয়তো সেই জিনিসটি আপনার খুব প্রয়োজন নেই, কিন্তু আপনার দেওয়া সামান্য কয়েকটি টাকা তাঁর দিনের রোজগারে বড় সহায়তা হতে পারে।
বিশ্বাস করুন, একজন অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর যে মানসিক শান্তি ও তৃপ্তি পাওয়া যায়, তা হয়তো একটি চিকেন রোল বা চাউমিন খেয়ে পাওয়া যায় না।
আসুন, মানবিকতার হাত বাড়াই।
🙏 অনুরোধ রইল—সম্ভব হলে তাঁর কাছ থেকে কিছু কিনে তাঁকে একটু সাহায্য করুন।
এই পোস্টটি করার উদ্দেশ্য কাউকে ছোট বা বড় করে দেখানো নয়।
বরং একজন সংগ্রামী মানুষের পাশে সামান্য মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আবেদন জানানো। যদি আমাদের ছোট্ট সহযোগিতায় তাঁর মুখে একটুকরো হাসি ফোটে বা দিনের শেষে কিছুটা স্বস্তি আসে, তাহলেই এই পোস্টের সার্থকতা। 🙏
পোস্ট টি মৈনাক সাহার থেকে নেওয়া। শুধুমাত্র ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য !