জার্মানিতে হলোকাস্ট সমগ্র বিশ্বের জন্য shocking ছিলো। এরকম অমানবিক চিত্র, কার্যকলাপ দেখে গোটা দেশ বিস্মিত হয়েছিলো। এবং সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্ন উঠেছিলো কে আপাতভাবে নিরীহ শিক্ষিত সাধারণ মানুষ যারা শিক্ষিক, ডাক্তার, উঁকিল, বিচারক - সেসব মানুষ, সাধারণ মানুষ কিভাবে এতবড়ো একটা হত্যালীলাকে সমর্থন করলো বা এদের morality তে কেনো বাঁধলো না? এবং সেখানেই দেখা যায় কিভাবে morality কেও manipulate করা যায়।
.
দেখা গেছে যে বিশেষ একটাবিশেষ identity কে বিপুল পরিমানে যখন "dehumanize" করা শুরু হয়, তখন মানুষ এর মস্তিষ্কে এটা কাজই করেনা যে সে যাকে ঘৃণা করছে সে একটা মানুষ। তখন সে ঘৃণার চোখে অপর মানুষকে "পোকা মাকড় " বা "আরশোলা " বলেই ভাবতে থাকে। মানুষ বলে অনুভব করতে পারেনা।
Echo chamber effect : ঘৃণার মানসিকতা চৰ্চা হচ্ছে আবার সেটা এতটাই acceptable একটা গ্রুপের কাছে যে অত্যন্ত অমানবিক, নোংরা, নিষ্ঠুর কথা বলার জন্য একজন আরেকজন কে বাহবা দিচ্ছে। ফলে সে আরো বেশি নিষ্ঠুরতার চৰ্চা করছে।
ভালোভাবে দেখলে আমাদের দেশেও সোশ্যাল মিডিয়ায় এই প্রক্রিয়া চলছে। কিভাবে বিপুল পরিমানে সাধারণ আপাত "ভালো মানুষ " উগ্র, হিংস্র, শয়তান হয়ে উঠছে তার উদাহরণ হিসেবে চোখে পড়লো একটা পোস্ট এবং সেটার কমেন্ট সেকশন।
(ডা. অরুণিমা ঘোষের FB পোস্টের কিছু অংশ আমিও সহমত)